
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের মেয়াদ খুব বেশি দিন হবে না। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সরে গেলে হরমুজ প্রণালি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে’ পুনরায় খুলে যাবে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের সামরিক শক্তি ব্যাপকভাবে ধ্বংস করার কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং শীঘ্রই এই অভিযান শেষ হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা এখানে দীর্ঘ সময় থাকব না। তাদের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ধ্বংস করার কাজ চলছে, এরপর আমাদের আর সেখানে থাকার প্রয়োজন হবে না।" হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় গত ৩১ দিন ধরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার পর অন্যান্য দেশ নিজেদের মতো প্রণালিটি খুলে নিতে পারবে।
ইরানের ইস্ফাহান শহরের কাছে সাম্প্রতিক বিমান হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে একটি বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে, যা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে প্রভাব ফেলেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, এই অভিযানের ফলে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং দেশটিতে ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতি’ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমা বন্ধ করার অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প. তিনি বলেন, ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানকে ইসরায়েলে যাওয়ার জন্য আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্স এই বিষয়ে ‘খুবই অসহযোগী’ আচরণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এমন সময়, যখন একটি উচ্চ পর্যায়ের ইরানি কর্মকর্তাকে হটানোর অভিযান চলছে।
এর আগে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সূত্রে জানা গেছে, এই অস্বীকৃতি সপ্তাহান্তে দেওয়া হয়েছিল। এটি ইরান সংক্রান্ত চলমান সংঘাতের শুরু থেকে ফ্রান্সের প্রথম এ ধরনের পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।